দিপুর স্মৃতিচারণ


চেয়ারে বসেই পাশের জানালা দিয়ে একটি দৃশ্য খেয়াল করছে দিপু। পথচারীর অস্থির পদযাত্রা। হয়তো অফিসে বসের বকুনি না শুনার জন্যই এতো তাড়াহুড়ো। ঠিক সকাল ৮.৩৬ টা বাজে ঘড়িতে। সম্ভবত ৯ টায় অফিস ধরতেই এই অস্থিরতা। মানুষ ক্রমেই অস্থিরতায় ভুগে চলছে। মাথায় চুল কম সাদা শার্ট ও কালো পেন্ট পরা এক ভদ্রলোকের রাস্তা পারাপারের দৃশ্যই এতক্ষণ খেয়াল করছিলো।

দিপু আজ কলেজে না যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। অবশ্য এর কারণ আছে, কলেজে আজ ক্লাস টেস্ট পরীক্ষা আছে কিন্তু পরীক্ষার দেয়ার মতো মনমানুষিকতা তার নেই। দিপুর বাবা অনেক আগেই অফিসের উদ্দেশে বাসা থেকে বেড়িয়ে পরেছে। আর দিপুর মা বছর তিনেক আগেই বিগত হয়েছেন। আজ দিপুর জন্মদিন। ছোটো বেলায় এই দিনটিতে কতো মজাই না হতো। তার মা ঠিক রাত্রি ১২ টা বাজার সাথে সাথেই বাসার সব লাইট বন্ধ করে মোমবাতি জ্বালিয়ে সাথে নিজ হাতে বানানো কেক খাইয়ে দিতো। সেই সব সুন্দর স্মৃতি স্মরণ করেই তার বিছানায় বসে পরলো। পৃথিবীর সব মানুষেরই কিছু না কিছু সুন্দর মুহূর্ত থাকে যা মানুষকে স্মরণ করিয়ে দেয়।

১৩ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১৩