মুখখানা দেখতে বীভৎস হয়ে উঠে,
যখন কেউ বিরক্তি প্রকাশ করে। শুধু বিরক্তি প্রকাশ মুখেই করে না,
যখন ভাব-ভঙ্গি সেইরকমের কিছুর আভাস দেয়, ঠিক
তখনি বীভৎস মনে হয়। সুতরাং কিছুটা অঙ্গ-ভঙ্গির ভাবের লক্ষণ খেয়াল করা জরুরী। এবং
এতে অন্যের ভঙ্গির অর্থ বোধ করা যায়।
যখন জানা এবং বুঝা যায় অন্যের ভঙ্গির অর্থ,
সেই অনুপাতে করনীয় কাজ ঠিক রাখাও দরকার হয়ে পরে। তবে নিশ্চিতভাবে
তাই করতে হবে তার কোনো বাধ্যবাধকতা নেই। সময় এবং পরিবেশ যদি সেইরকমের কিছু করার
ইঙ্গিত বহন করেই থাকে, তবে তাই করা দরকার মনে করি। মুখমণ্ডল
দেখতে সুশ্রী হবে, কিংবা মায়া জড়ানো হবেই তা বলা মুশকিল।
আমাদের বেশীরভাগ সময় এটাই কাম্য হয়, আমারা সুশ্রী মুখের পূজা
করি। মনের ভিতর এক মানুষ যা প্রতিনিয়তই তাই চায়। তাদের চাওয়ায় কখনো কমতি থাকে না।
কেন আমরা মুখশ্রী দেখে বিচার করি? বিচার! সে তো আচার-ব্যবহার
এবং কাজের মধ্যে থাকা উচিৎ। সম্প্রতি সময়ের এমন এক পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে, যে দর্শনে ভালো হলেই তার গুণাগুণ অক্ষুণ্ণ থাকে। তবে ভালভাবে খেয়াল করলে
বুঝার কমতি থাকবে না, আমরা কোথায় আটকে আছি। সেই অবয়বের মাঝে।
যেখানে কৃত্তিম মুখোশ নিয়ে সকলে নিজেকে সুশ্রী বলে জাহির করছে। ঘটনাক্রমে তাদেরই
জয় হয়, যারা কৃত্তিমত্তাকে খোলস বানিয়ে সেই খোলসের আবরণে
লুকিয়ে লুকিয়ে অসাধ্য সাধন করে। সাধন করা তাদের কাজ হয়ে ওঠে। তাদের কাছে অসম্ভব
বলে কিছু নেই। সেই তারাই আবার যখন খোলস থেকে নিজেকে বিচ্যুতি ঘটায়, তখনি বাঁধ সাঝে সমাজের কিছু তথাকথিত উৎকৃষ্ট মানব। যাদের পদচারনায় আমারা
নিজেদের রক্ষা করতে পারি। অবশ্য তা আমাদের মনের ব্যপার মাত্র।
